ঢাকা, রোববার, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯ | ১ পৌষ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

ভারি বর্ষণে সারাদেশে বন্যার আশঙ্কা


অমৃতবাজার রিপোর্ট

প্রকাশিত: ০৪:৫৭ পিএম, ১২ জুলাই ২০১৯, শুক্রবার | আপডেট: ০৪:৫৭ পিএম, ১২ জুলাই ২০১৯, শুক্রবার
ভারি বর্ষণে সারাদেশে বন্যার আশঙ্কা

 

উজান থেকে ধেয়ে আসা পাহাড়ী ঢল আর ভারী বৃষ্টিতে লালমনির হাট ও নীলফামারীতে তিস্তার পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। বিপদসীমার ২৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে বইছে তিস্তার পানি।

ফলে নীলফামারীর ডিমলা ও জলঢাকা উপজেলার প্রায় ১৫ গ্রামের পাঁচ হাজারেরও বেশি পরিবার বন্যাকবলিত হয়ে পড়েছে। সেই সাথে দেশের বিভিন্ন জায়গায় বেড়েছে নদ- নদীর পানি। এ অবস্থায় সারাদেশেই বন্যার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

শুক্রবার (১২ জুলাই) সকালে দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারেজের (বাঁধ) ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি প্রবাহ রেকর্ড করা হয়েছে। যা বিপদসীমার ২৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে বইছিল। এর প্রভাবে নতুন করে লালমনিরহাটের ৬০টি গ্রাম প্লাবিত হয়ে পড়েছে।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যাপূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার সকাল ৬টায় নদীর পানি বিপদসীমা অতিক্রম করে। এ সময় বিপদসীমার দুই সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হলেও দুপুর ১২টায় বিপদসীমার ৭ সেন্টিমিটার ওপরে চলে যায়। এরপর বিকাল ৩টায় পানি বেড়ে বিপদসীমার ২০ সেন্টিমিটার, বিকেল ৬টায় আরও ৫ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপদসীমার ২৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে থাকে।

জানা গেছে, ওপারে গোজলডোবা তিস্তা ব্যারাজের জলকপাট খুলে দেয়ায় ভারত তাদের অংশে হলুদ সতর্কতা জারি করেছে। এতে করে উজানের ঢলে তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমা অতিক্রম করেছে।

পাউবো সূত্র জানায়, পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। এতে প্লাবিত হয় তিস্তা ব্যারাজের উজান ও ভাটির চর ও নদীতীরবর্তী গ্রাম গুলো। এ অবস্থায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। দেশের বিভিন্ন জায়গায় বেড়েছে নদ-নদীর পানি। নদ -নদীর পানি আরো বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র। বন্যার সাথে যোগ হয়েছে নদী ভাঙ্গন। দুর্গত এলাকায় দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানি আর খাবারের সংকট ।

অমৃতবাজার/এএস