ঢাকা, সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯ | ৪ ভাদ্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

লালমনিরহাটে বন্যায় ১০ হাজার পরিবার পানিবন্দি


লালমনিরহাট সংবাদদাতা

প্রকাশিত: ১২:০৫ পিএম, ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, মঙ্গলবার | আপডেট: ১২:৫৮ পিএম, ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, মঙ্গলবার
লালমনিরহাটে বন্যায় ১০ হাজার পরিবার পানিবন্দি

ভারি বর্ষণ ও ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে তিস্তা, ধরলা, বুড়ি তিস্তা ও সানিয়াজান নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় লালমনিরহাটে আবারো বন্যা দেখা দিয়েছে। নদী গুলোর পানি বৃদ্ধির কারণে জেলার তিস্তা তীরবর্তী এলাকা গুলোতে বন্যা দেখা দিয়েছে। এতে জেলার হাতীবান্ধা উপজেলায় পানিবন্দি হয়ে পড়েছে প্রায় ১০ হাজার পরিবার। তলিয়ে গেছে বহু ফসলি ক্ষেত। পানিতে ডুবে আছে ঘরবাড়ি।

হাতীবান্ধায় দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারেজের ডালিয়া পয়েন্টে সোমবার রাতে বিপদসীমার ১৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। হাতীবান্ধা উপজেলার ধুবনী গ্রামে ভেসি বাঁধ হুমকির মুখে পড়েছে। এ বাঁধ ভেঙে গেলে তিস্তার পানি হাতীবান্ধা শহরে ঢুকে পড়বে। ইতোমধ্যে চর এলাকাগুলোর যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রফিকুল আলম চৌধুরী জানান, তিস্তার পানি অব্যাহত রয়েছে। তাই দেশের সর্ববৃহৎ সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি গেট খুলে পানি প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানায়, তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে তীরবর্তী অঞ্চলগুলো প্লাবিত হয়েছে। পাটগ্রাম উপজেলার বহুল আলোচিত ছিটমহল আঙ্গরপোতা-দহগ্রামের চর,হাতীবান্ধা উপজেলার সানিয়াজান, গড্ডিমারী, চর হলদীবাড়ি, তিস্তা, ও ধরলা নদীর তীরবর্তী গ্রামগুলো বন্যায় প্লাবিত হয়ে প্রায় ১০ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রফিকুল আলম চৌধুরী জানান, ভারতের গজল ডোবা ব্যারেজের গেট খুলে দেয়ায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

অমৃতবাজার/জয়