ঢাকা, বুধবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮ | ১০ আশ্বিন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

প্রযুক্তি ও কারিগরি দক্ষতা বাড়ানো জরুরি: রাষ্ট্রপতি


অমৃতবাজার ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৩:৫৪ পিএম, ২৯ মে ২০১৮, মঙ্গলবার | আপডেট: ০৪:০০ পিএম, ২৯ মে ২০১৮, মঙ্গলবার
প্রযুক্তি ও কারিগরি দক্ষতা বাড়ানো জরুরি: রাষ্ট্রপতি ফাইল ছবি

বিশ্বের অন্যান্য দেশের শান্তিরক্ষীদের সঙ্গে প্রতিযোগিতার জন্য প্রযুক্তি ও কারিগরি দক্ষতা বাড়ানোর বিষয়ে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের প্রতি গুরুত্বারোপ করেছেন।

‘তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তির উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে জাতিসংঘ মিশনে নিয়োজিত বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের প্রযুক্তি ও কারিগরি দক্ষতা বাড়ানো জরুরি। যাতে বিশ্বের অন্যান্য দেশের শান্তিরক্ষীর সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করতে পারে। সে লক্ষ্যে উন্নত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নিতে হবে।’ বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।

মঙ্গলবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলনকেন্দ্রে আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস-২০১৮ ও শান্তি প্রতিযোগীতায় ৩০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাষ্ট্রপতি এ সব কথা বলেন। খবর ইউএনবির।

আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস-২০১৮ এবারের প্রতিপাদ্য ছিলো ‘জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী : সেবা ও ত্যাগের ৭০ বছর।’

জাতিসংঘ অর্ন্তভুক্ত অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হচ্ছে শান্তিরক্ষী দিবস। ১৯৮৮ সালে শান্তিরক্ষী প্রেরণের পর এ বছর শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণের ৩০ বছর পূর্তি হচ্ছে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের পেশাগত দক্ষতার পাশাপাশি স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক ভাষায় দক্ষতা বাড়াতে উদ্যোগী হতে হবে।

শান্তিরক্ষীদের উদ্দেশ্যে আবদুল হামিদ বলেন, ‘আমাদের শান্তিরক্ষীরা ৪০ দেশে ৫৪টি মিশন অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে সম্পন্ন করেছে। এ মুহূর্তে বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় নিয়োজিত ১২৪ দেশের ৯১ হাজার ৫৮ জন শান্তিরক্ষীর মধ্যে সাত হাজার ৭৫ বাংলাদেশের শান্তিরক্ষী রয়েছে, যা সত্যিই গর্ব করার বিষয়। বর্তমানে ১০টি মিশনে আমাদের শান্তিরক্ষীরা নিয়োজিত আছেন।’

বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা তাদের কর্ম, মেধা ও প্রজ্ঞা দিয়ে বিশ্বে একটি শক্তিশালী শান্তি প্রতিষ্ঠাকারী দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করবেন এবং বিশ্বে বাংলাদেশের পতাকাকে সমুন্নত রাখবেন বলে আশা করেন তিনি।

বিশ্ব শান্তি রক্ষার মহান দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে যেসব শান্তিরক্ষী সদস্য তাদের জীবন উৎসর্গ করেছেন তাদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ এবং তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন রাষ্ট্রপতি। তাদের স্মরণে অনুষ্ঠানে ১ মিনিট নীরবতা পালন করে।

এ অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী, জাতিসংঘের রেসিডেন্স কো-অর্ডিনেটর মিয়া সেপ্পো, জ্যেষ্ঠ শান্তিরক্ষী, সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হক, নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল মো. নিজামউদ্দিন আহমেদ, বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল আবু এসরার, কূটনীতিক, সংসদ সদস্য এবং রাষ্ট্রপতি দফতরের সংশ্লিষ্ট সচিবরা উপস্থিত ছিলেন।

অমৃতবাজার/সবুজ