ঢাকা, রোববার, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০ | ১১ ফাল্গুন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

তালিকার ৮ হাজার রোহিঙ্গা থেকে ৩৭৪ জনকে নিতে রাজি মিয়ানমার


অমৃতবাজার ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৬:০০ পিএম, ১৫ মার্চ ২০১৮, বৃহস্পতিবার | আপডেট: ০৬:৩৮ পিএম, ১৫ মার্চ ২০১৮, বৃহস্পতিবার
তালিকার ৮ হাজার রোহিঙ্গা থেকে ৩৭৪ জনকে নিতে রাজি মিয়ানমার

প্রথম ধাপে প্রত্যাবাসনের জন্য ৮০২৩ জনের (১৬৭৩টি পরিবার) তালিকা দেওয়া হলেও মাত্র ৩৭৪ জনকে ফিরিয়ে নিতে রাজি হয়েছে মিয়ানমার। ১৪ মার্চ, বুধবার রাতে বিষয়টি জানিয়েছেন ত্রাণ ও শরণার্থী প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ আবুল কালাম।  

বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় সাত লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী  আশ্রয় নিয়েছে। প্রথম থেকেই তাদের মিয়ানমারে ফিরিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া চলে, কিন্তু সে প্রক্রিয়া বেশ দীর্ঘ মেয়াদি। যদিও দেরিতে হলেও শুরু হয়েছে রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া। তবে তা খুবই ধীর গতির এবং সংখ্যায় খুব কম।

আবুল কালাম বলেন, ‘মিয়ানমারের পক্ষ থেকে রেঙ্গুন দূতাবাস বাংলাদেশের সাথে কথা বলেছে। এখনো তাদের সাথে রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে কথা চলছে।’

মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব বুধবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে জানান, ফেব্রুয়ারি মাসেই বাংলাদেশের দেওয়া ৮০৩২ জনের কাগজপত্র কর্মকর্তারা পরীক্ষা করেছেন। তাদের মধ্য থেকে ৩৭৪ জনকে এখন নিয়ে যাওয়া হবে। সময় এখনো নির্ধারণ না হলেও খুব শিগগিরই তারা দেশে ফিরতে পারবেন।

বেশ কয়েক দশক থেকেই মিয়ানমারে রোহিঙ্গারা অত্যাচারের শিকার হচ্ছে। তবে সম্প্রতি তা এতটাই বেড়েছে যে গেল আগস্টে জীবন বাঁচাতে অনেক রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। প্রায় সাত লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী বর্তমানে বাংলাদেশে অস্থায়ীভাবে বসবাস করছে।

রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের জন্য গেল ২৩ নভেম্বর মিয়ানমার ও বাংলাদেশের মধ্যে সম্মতিপত্র স্বাক্ষর হয়। এর ভিত্তিতে দুই দেশ যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন করে এবং ১৬ জানুয়ারি ওই গ্রুপের প্রথম বৈঠকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের বিভিন্ন বিষয় ঠিক করে ‘ফিজিক্যাল অ্যারেঞ্জমেন্ট’ স্বাক্ষরিত হয়। তারই ধারাবাহিকতায় প্রথমধাপের পুনর্বাসন শুরু হয়। চুক্তি অনুযায়ী দুই বছরের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেবে মিয়ানমার।

অমৃতবাজার/সাজ্জাদ