ঢাকা, রোববার, ২১ জানুয়ারি ২০১৮ | ৮ মাঘ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

‘খাদ্য অধিকার বাংলাদেশ’ এর সম্মেলনে বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী


অমৃতবাজার রিপোর্ট

প্রকাশিত: ০৬:০৭ পিএম, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৭, বুধবার
‘খাদ্য অধিকার বাংলাদেশ’ এর সম্মেলনে বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন এমপি বলেছেন, বৈষম্য, বঞ্চনা, দারিদ্র্যকে দূর করে একটি সমতা ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠাই ছিল মহান মুক্তিযুদ্ধের আকাংখা। কিন্তু স্বাধনীতার অব্যবহতি পর বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্যদিয়ে সে আকাংখারও ইতি ঘটে। এর পরবতী শাসকচক্র দারিদ্র বিমোচনে কোন প্রয়াস না নিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতানকে মুছে ফেলার অপপ্রয়াস চালায়।

২০০৯ সালে মহাজোট সরকার ক্ষমতায় এসে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারণ করে দারিদ্র বিমাচনে অন্তহীন প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে। নগর থেকে প্রান্তিক পর্যায় পর্যন্ত অনেকগুলো সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। এবং প্রতিনিয়ত এসব কর্মসূচির পরিধি বাড়ানো হচ্ছে। দরিদ্র জনগোষ্ঠি এর সুফল পাচ্ছে।

তিনি আজ বিকেলে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘খাদ্য অধিকার বাংলাদেশ’ আয়োজিত ‘সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির বার্ষিক সম্মেলনের সমাপনী অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।

সংগঠনের ভাইস চেয়ারম্যান হিলাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে এতে আরোও বক্তৃতা করেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আরফিন আরা বেগম ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের পরিচালক অধ্যাপক ড. মাহবুবা নাসরীন।

মন্ত্রী বলেন, ২০০৬ সালে যেখানে দারিদ্রের হার ৪২ শতাংশ ছিল বর্তমানে তা ২৪ শতাংশে হ্রাস পেয়েছে। হতদরিদ্র জনগোষ্ঠি ১২.৯ ভাগে এসে দাঁড়িয়েছে। এ ধারাবাহিকতা অক্ষুন্ন থাকলে ২০৪১ সালে ক্ষুধা ও দারিদ্রকে জয় করে একটি সমৃদ্ধ উন্নত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে। এ জন্য আগামী নির্বাচনে বর্তমান সরকারকে আবারও ক্ষমতায় আনতে হবে।

অমৃতবাজার/মিঠু

Loading...