ঢাকা, বুধবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৭ | ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

পুলিশের প্রতিবেদনে নারাজি দেবেন মজহারপত্নী


নিজস্ব সংবাদদাতা

প্রকাশিত: ০২:৪৫ পিএম, ০৭ ডিসেম্বর ২০১৭, বৃহস্পতিবার
পুলিশের প্রতিবেদনে নারাজি দেবেন মজহারপত্নী

ফরহাদ মজহারকে অপহরণের অভিযোগের ‘সত্যতা পাওয়া যায়নি’ জানিয়ে আদালতে পুলিশের দেওয়া চূড়ান্ত প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে নারাজি আবেদন দাখিল করবেন ডানপন্থি এই অধিকারকর্মীর স্ত্রী ফরিদা আক্তার।

তার অন্যতম আইনজীবী সৈয়দ জয়নুল আবেদীন মেজবাহ বলেন, বৃহস্পতিবার ঢাকার ৭ নম্বর মহানগর হাকিম খুরশীদ আলমের আদালতে হাজির হয়ে ফরিদা আক্তার তার আপত্তির কথা জানান।

ওই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক মাহবুবুল হক গত ১৪ নভেম্বর আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়ার পাশাপাশি মিথ্যা মামলা দায়েরের অভিযোগে মজহার দম্পতির বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করার অনুমতি চান।

আদালত বিষয়টি ৭ ডিসেম্বর শুনানির জন্য রেখেছিল। সে অনুযায়ী ফরিদা বৃহস্পতিবার আদালতে হাজির হয়ে নারাজি দেওয়ার কথা জানিয়ে সময়ের আবেদন করেন।

জয়নুল আবেদীন মেজবাহ বলেন, “বাদী বলেছেন, চূড়ান্ত প্রতিবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা বাদীর বিরুদ্ধে শাস্তির আবেদন করেছেন, এর কোনো যুক্তি নেই। তিনি সঠিক মামলাই করেছিলেন। নারাজি আবেদনে মামলার সত্যতা তুলে ধরে দেখানো হবে- ওই চূড়ান্ত প্রতিবেদন কতটা অসার। প্রয়োজনে আমরা উচ্চ আদালতে যাব।”

মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমার দিন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ কমিশনার (পশ্চিম) গোলাম মোস্তফা রাসেল বলেন, “অভিযোগটি ছিল মিথ্যা। এ কারণে ফৌজদারি দণ্ডবিধির  ২১১ ও ১০৯ ধারায় ব্যবস্থা নিতে আদালতে আবেদন করা হয়েছে, যাতে তাদের এবং সহযোগীদের বিচারের আওতায় আনা হয়।”

ফরহাদ মজহার আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে অপহরণের কথাই বলেন। তিনি সেখানে দাবি করেন, তাকে অপহরণ করে খুলনায় নেওয়া হয়েছিল। অপহরণকারীরা তার কাছ থেকে মুক্তিপণও দাবি করেছিল।

ফৌজদারি দণ্ডবিধির ২১১ ধারায় মিথ্যা মামলা দায়েরের শাস্তির বিষয়ে বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে কেউ কোনো অভিযোগ দায়ের করলে অথবা কোনো অপরাধ করেছে বলে মিথ্যা মামলা দায়ের করলে মামলা দায়েরকারীকে দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড কিংবা উভয় দণ্ড দেওয়া যাবে।

অমৃতবাজার/জয়

Loading...